মুসলিম আইনে তালাক (বিবাহ বিচ্ছেদ) প্রথা
মুসলিম আইনে যে কোন মুসলমান পুরুষ তার স্ত্রীকে তালাক দিতে পারেন। এই তালাক দুভাবে হয়। ১) মৌখিক, ২) লিখিত। তা সে যেভাবেই হোক না কেন সেটা কিন্তু মুসলিম আইনে বৈধ বলে গন্য হয়। স্ত্রীর সাক্ষাতে স্বামী তিনবার তালাক-তালাক-তালাক বললেই তা গন্য করা হয়। মুসলিম আইনে তালাকের ক্ষেত্রে কোন কারণ দর্শবার প্রয়োজন হয় না। অপরপক্ষে কোন মুসলমান নারী যদি তালাক চায় তবে তার স্বামীর মতামত নিতে হবে। যেটা মুসলমান নারীদের ক্ষেত্রে হয় না। স্বামীর কাছে থাকা অবস্থায় কোন মুসলমান নারী তালাক নিতে পারে না。
১৯৩৯ সালের বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২নং ধারা অনুযায়ী যে কোন মুসলমান মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আদালতে আবেদন করার অনুমতি পেয়েছে। তবে সেই আবেদনর জন্য একাধিক কারণ দেখতে হবে। তবেই ঐ আবেদন গ্রাহ্য হবে। সেই কারণগুলি হল-
- যদি ২বছরের অধিককাল পর্যন্ত কোন স্বামী সামর্থ থাকা সত্ত্বেও তার স্ত্রীর ভরণ পোষণ দিতে অবহেলা করে।
- যদি সুস্থ ও সমর্থ হয়েও স্ত্রীর সঙ্গে বৈধ মিলনে অপারগ হয় এবং যদি তিন বছর ঐভাবে চলতে থাকে।
- যদি চার বছরের অধিকাল স্বামী নিরুদ্দেশ থাকে।
- যদি সাত বছরের অধিককাল স্বামীর কারাদন্ড হয়।
- যদি বিবাহের সময় থেকে আবেদনকারী আবেদন কাল পর্যন্ত সময় স্বামী পুরুষত্বহীন হয় এবং তা আরোগ্য হবার সম্ভাবনা না থাকে। রোগে ভোগে।
- যদি দু বছর পর্যন্ত স্বামী যৌন রোগ, কুষ্ঠরোগ বা অন্য দুরারোগ্য
- যদি স্বামী তার স্বামীর একধিক অবৈধ স্ত্রী থাকে।
- যদি তার স্বামী তার ধর্ম কর্মে বাধা দেয়।
- যদি বিনা কারণে তার মদ্যপ স্বামী তাকে প্রায়শই নির্দয় প্রহার করে।
- যদি বলপূর্বক তার স্বামী তাকে অনৈতিক জীবন যাপনে বাধ্য করে।
উপরি উক্ত কারণ দেখিয়ে যে কোন মুসলিম মহিলা তার স্বামীকে তালাক দেবার জন্য আবেদন করতে পারেন。
ওয়াকফ
'ওয়াকফ' শব্দটি মুসলিম আইন এর অন্তর্গত বিষয়াদি。
আইনগত ভাবে মুসলিম আইন ধর্মিয় অনুশাষণ অনুযায়ী যা ব্যাখ্যা আছে তাকে মুল্য দিয়ে এই মতটাকে স্বীকৃতি দিয়েছে যা হল
সর্বশক্তিমান ভগবান/ আল্লাহ-র উদ্দেশ্যে উৎসগীকৃত বস্তু/ জিনিষ যা মানব সেবার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে。
- মজিদ তৈয়ারী তে ব্যবহৃত হতে পারে।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করনের স্বার্থে ব্যবহৃত হতে পারে।
- মক্কা দর্শনের তীর্থযাত্রীদের যারা আর্থিকভাবে সবল নয় তাদের সাহায্য করন।
- কোরান এর বিষয়াদি প্রচলন।
- কুয়ো জলাশয় এর বন্দোবস্ত।
- মুসলিম ধর্মগুরুদের জন্মদিনে খাদ্য বিতরন।গত ব্যাক্তিদের শবাধার ও শবআচ্ছাদন এর ব্যবস্থা।
- উরুস (বাৎসরিক) এর সম্পাদন।
- ইমাম বাড়ার সংস্কার।
- মসজিদে যথাযথ আলোর ব্যবস্থা।
অর্থাৎ এক কথায় কোন সম্পত্তি যদি আল্লাহ র উদ্দেশ্যে দান করা হয় তবে তা হতে প্রাপ্ত আয় সামাজিক কার্যকলাপ ও জনস্বার্থে ব্যায় করা হবে。
এতদ্বাতিত অন্য কোনও প্রয়োজন ঐ ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যয় বা ব্যয় সিদ্ধতা আইনি স্বীকৃতি পাবে না。
রেজিষ্ট্রেশন / নিবন্ধন করণ” আইন
নিবন্ধন বা "রেজিট্রেশন" কি? আইনি জটিলতার সাহায্য ছাড়া খুব সহজভাবে বলতে গেলে নিবন্ধন / রেজিট্রেশন এর অর্থ।
যাবতীয় কার্যপরিচালনা / সম্পাদন সংশ্লিষ্ট সরকারের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী গোচরে আনয়ন。
'ক' বাবু-র জমি কল্যানীতে আছে।
'খ' বাবু থাকেন ঘোলাতে。
'ক' বাবুর জমি 'খ' বাবু কিনবেন এই মর্মে মূল্যে 'খ' বাবু 'ক' বাবুর জমির মালিক হলেন সিদ্ধান্ত হল। যথা সময়ে জমির প্রস্তাবিত এটি লিখিত হল。
এই বিষয় সরকার কে জানাবেন কি ভাবে? 'রেজিট্রেশন' / নিবন্ধন করণ
সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক এর কার্য্যলয়ে নিধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করলে, তবে সরকার এটি অনুমোদন করবেন এই মর্মে যে 'ক' বাবুর কল্যানীর জমির মালিক ঘোলার 'খ' বাবু。
সম্পাদনের চারমাসের মধ্যে。
অন্যথায় 'রেজিট্রেশন ফি' এর অধিক (আনুমানিক ১০গুন) এর সাহায্যে নিবন্ধন করন সম্ভব。
গ্রাহ্য হয়。
সময়: চারমাস অনুর্ধ。
যোগ্যতা: যে ব্যক্তির নামে সম্পাদিত হয়েছে。
অবৈধ বা মিথ্যা দলিল সম্পাদনের পর যদিও রেজিট্রেশন হয় পরে প্রমাদিত হলে তা অবৈধ রেজিট্রেশন বিবেচনায় বাতিল হবার যোগ্য বিবেচিত হবে。
মনে রাখতে হবে দলিল সম্পাদনের নিমিত্ত যাবতীয় ঘটনার সত্যতা প্রমান এর দায়িত্ব নির্বাহকের, অজ্ঞাত কারণে সত্যতা প্রকাশে অক্ষমতা সংশোধনের দাবী রাখে。
- বিক্রয় কোবালা (Sale Deed)
- চুক্তি / বিনিময় / অন্যান্য যার আর্থিক মূল্যায়ন ১০০ টাকা তদুর্ধ।
- দানপত্র।
- অংশীদারী চুক্তি (ঐচ্ছিক)।
- বন্ধকপত্র।
- বিবাহ, বর্তমানে বাধ্যতামূলক।
- ইচ্ছাপত্র (বাধ্যতামূলক নয়) (Will)
পর্দানসীন/ বিশেষ সম্প্রদায়ভুক্ত অথবা চলাফেরায় অক্ষম/ বৃদ্ধ অসুস্থ ব্যক্তিবর্গের ক্ষেত্রে দলিল সম্পাদন "কমিশন" এর মাধ্যমে করা সম্ভব। বলা বাহুল্য যাবতীয় ব্যায়ভার বহন এর দায়িত্ব যিনি রেজিস্ট্রেশন করাচ্ছেন তাকে বহন করতে হবে。
সাব-রেজিষ্ট্রার সাধারনত দলিল রেজিস্ট্রি করেন। জেলা রেজিস্ট্রার একইভাবে ঐ কাজে উপযুক্ত। অজানা কারনে "রেজিষ্ট্রি" করার আবেদন বাতিল হলে আদালত কর্তৃক পদ্ধতিগত সহযোগীতায় যাবতীয় ঘটনার বিবৃতিতে রেজিট্রেশন এর পুনরায় সুযোগ গ্রহন সম্ভব。
বিবাহ নিবন্ধন এর বিষয়ে কিছু তথ্য
রাজ্য সরকার নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করেছেন。
দুভাবে এই নিবন্ধন করণ সম্ভব。
(১) উভয়পক্ষের সহমতে সংশিষ্ট "বিবাহ নিবন্ধক” একটি আগামবার্তা (Notice) গ্রহন করবেন। নোটিশ জারিকরনের অতিবাহিত ৩০ দিনের পর উভয়পক্ষের সাক্ষ্য সহযোগে চুড়ান্তভাবে বিবাহ নিবন্ধন করবেন。
(২) বিবাহ কালে "রেজিষ্টি"।
রেজিস্ট্রার সংশ্লিষ্ট প্রথানুযায়ী পর্যবেক্ষণ করবেন
- (১) অগ্নিসাক্ষে সপ্তমপদ অতিক্রমন (সপ্তপদী)
- (২) যাবতীয় আচার বিচার পর্যালোচনা চূড়ান্তভাবে।
২নং কেবল হিন্দু ম্যারেজ এ্যাক্ট অনুযায়ী প্রযোজ্য。
আইনভঙ্গ কারী অনুর্ধ ২৫/টাকা জরিমানা গ্রাহ্য。
বিবাহ সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি খাতা ভুক্ত হবে。
হবে। রেজিট্রেশন শংসাপত্র যথা সময়ে রেজিস্ট্রার কর্তৃক বিবাহিত দম্পতিতে হস্তান্তরিত
ভারতীয় চুক্তি আইন - ১০ ও ১১নং ধারা
চুক্তির মূল বিষয়টা হল কোন ব্যাপারে দুটি পক্ষ করন। (১) সহমত (২) বিবিধ মত (৩) পারস্পরিক মত (৪) আংশিক মত কে প্রতিষ্টা
- সহমতের চুক্তি ধরুন 'ক' ও 'খ' বাবু ঠিক করলেন আগামী দশবৎসর তারা এক বাড়ীতে 'ক' বাবু উপর তলা 'খ' বাবু নীচ তলায় থাকবেন।
- বিবিধ মত এর চুক্তি – ক বাবু ও'খ বাবু জল ব্যবহার করন ভিন্ন সময় সূচীতে করবেন।
- পারস্পরিক মত এর চুক্তি ক বাবু ও খ বাবু দুজনে মিলে একটি কুকুর পুষবেন।
- আংশিক মত এর চুক্তি ক বাবুর অতিথি আসলে 'খ' বাবুর অংশে থাকবেন।
এই রূপ বিবিধ বিষয়ে চুক্তি হয়。
মনে রাখতে হবে
অসম্ভব, অনৈতিক, জনস্বার্থহানীকর বে-আইনী চুক্তি হয় না, সুস্থ সম্ভব, প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি চুক্তি করবার অধিকারী। ১০নং ধারায় বলা হয়েছে যে নাবালক/নাবালিকা বা মানসিক ভারসাম্য হীন কোন ব্যক্তি কোন চুক্তি করতে পারবে না। ১২নং ধারায় সুস্থ ও বয়স্ক ব্যক্তিদের চুক্তিই গ্রহণযোগ্য。
সম্পত্তি হস্তান্তর করন সংক্রান্ত জ্ঞাতব্য
সম্পত্তি হস্তান্তর করণ নিম্নলিখিত মাধ্যমগুলিতে আপনি করতে পারেন。
- বিক্রয় এর মাধ্যমে।
- ক্রেতা বিক্রেতার প্রয়োজন।
- নিবন্ধন বাধ্যতামূলক
- বিক্রয় কোবালা এর আইনগত প্রক্রিয়া
- দাতা/গ্রহীতা প্রয়োজন।
- নিবন্ধন বাধ্যতামূলক
- ২১ গ্রহীতার সম্মতি (Acceptnce) প্রয়োজন।
- দানপত্র (Gift Deed) এর আইনগত প্রক্রিয়া।
- বন্ধকদাতা / বন্ধক গ্রহীতা প্রয়োজন। নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।
- সম্পত্তি নিজের মেয়াদ উত্তীর্নকালে যে কেহ বন্ধক গ্রহীতার হওয়া প্রয়োজন।
- স্থাবর সম্পত্তির যা নির্দিষ্ট ও নির্ধারণ যোগ্য।
- পুনরায় গ্রহন করা যায়।
- ৬ প্রকার বন্ধন করন প্রক্রিয়া আছে।
- পক্ষে বন্ধকি সম্পত্তি ছাড়াতে পারেন, (শর্তসাপেক্ষ)
- Mortgage Deed এর আইনগত প্রক্রিয়া।
- লীজদাতা ও লীজ গ্রহীতার প্রয়োজন।
- লীজ এর সময় কাল এর সিদ্ধান্ত উভয় মত সাপেক্ষ।
- লীজ এর বিনিময় টাকা বা, লীজ গ্রহীতা টাকা দেবে/বা অন্যান্য কিছু দেবে।
- লীজ এর সময় অতিবাহিত হয়ে গেলে লীজ পুনঃ অনুমোদন সাপেক্ষ
- লীজ পুনঃ নবীকরণ সম্ভব নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।
- স্থাবর সম্পত্তি
- বিনিময় বা (Exchnge) সম্ভব
- একের মালিকানায় বিপরীত মালিকানা গ্রহণ।
সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে মনে রাখবেন
- নাবালক সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য আইনিভাবে যোগ্য নয়।
- নাবালক এর সম্পত্তি হস্তান্তর এর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অভিভাবক এর অনুমতি সাপেক্ষ।
- অন্যথায় আদালতের মাধ্যমে হস্তান্তর সম্ভব।
- মানসিক সুস্থতা ও শারিরীক সক্ষমতা প্রয়োজন।
এছাড়া 'উইল' বা 'ইচ্ছাপত্রের' মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করা চলে。
যদিও উইল এই আইনভুক্ত প্রক্রিয়াকরণ নয়。
মনে রাখবেন, ইচ্ছাপত্রের "ইচ্ছা" বা 'উইল' উইলকারীর মৃত্যুর পরবর্তীকালে গ্রাহ্য হয়。
- যে কোন সম্পত্তি উইল করা চলে, যদি তা নিজের হয়।
- নিবন্ধন বাধ্যতামূলক
- নাবালক, মানসিক ভাবে নয়।
- জন স্বার্থের পরিপন্থী কিছুই উইল করা চলে না।
- অসুস্থ উইল করার যোগ্য নয়।
ফৌজদারী অপরাধ [Criminal Offence(s)]
এবার কয়েকটি বিশেষ বিশেষ ফৌজদারী অপরাধ ও আইন সংক্রান্ত দৃষ্টিকোন কে নিচে দেওয়া হল。
'ফৌজদারী' বা 'ক্রিমিনাল অফেন্স' এর ক্ষেত্রে প্রধান দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষের。
প্রধানত ফৌজদারী অপরাধ এর সংজ্ঞা ভারতীয় দণ্ডবিধি বা "ইন্ডিয়ান পেনাল কোড' অনুযায়ী বিবেচনা ও তার শাস্তিগুলি বর্নিত আছে。
সাধারণত ফৌজদারী অপরাধ কার্যপরিচালনা বিধি বা ইংরেজিতে যাকে বলে "Criminal Proedre Code" এ ব্যাপারে মানে ঘটনাগুলির সিদ্ধান্ত বা অনুসিদ্ধান্ত গুলি নিয়ন্ত্রন করে。
ফৌজদারী অপরাধ কার্যবিধি প্রমানের দায়িত্ব কিন্তু মূলতঃ অভিযোগকারীর। সামাজিক মূলস্রোত এর পরিপন্থি অপরাধ গুলির ক্ষেত্রে পুলিশ অভিযোগকারীর ভূমিকা নেয়, তদনুসারে প্রমান এর ভার ঐ কর্তৃপক্ষের হাতে。
যদি কোন লোক (প্রাপ্ত বয়স্ক) অপর কাহাকে ও
- কু-কর্মে উৎসাহ
- কু- কর্মে প্ররোচনা
- কু- কর্মে সাহায্য
- কু- কর্মে পরোক্ষ উৎসাহ
- কু-কর্মে সাক্ষ্য
- কু- কর্মে সাক্ষ্য দেবার প্ররোচনা
- কু- কর্মের পরিকল্পনা
কোনভাবে দান করে তবে তার অপরাধ হয়েছে ঐ মর্মে " ভারতীয় দন্ডবিধি” তাকে শাস্তি প্রদান করতে পারে。
'ক' বাবু একজন দোকানদার অর্থের বিনিময়ে 'খ' রাবু তাকে বীরভূমের এক দোকানদার এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করাল। 'ক' ও 'খ' বাবু উভয়-ই কুকর্মের জন্য শাস্তি যোগ্য। তদুপরি ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী অন্যান্য শাস্তি যোগ্যতা আহ্বান করে。
যে কোন খারাপ কাজ করার জন্য অথবা
- খারাপ কাজে অংশীদার হওয়া।
- খারাপ কাজে সহ অংশীদার হওয়া।
- খারাপ কাজ করা।
প্রভৃতি-র জন্য কোনরূপ বল প্রয়োগ শাস্তিগ্রাহ্য। যাকে আইনি ভাষায় বলে "অ্যাপ্লিকেশন অব ফোর্স বা ক্রিমিনাল ফোর্স"
কোন ধরনের প্ররোচনা বা উস্কানীমূলক কথাবার্তা যা আত্মহত্যার জন্য যথেষ্ট বিবেচিত হয় -
সেই রুপ কথাবার্তা বা প্ররোচনাকারী আইনী সিদ্ধান্ত মতে অপরাধী।
এ ক্ষেত্রে সশ্রম কারাদণ্ড যা ১০ বৎসর কাল পর্যন্ত হতে পারে。
সম্পূর্ন অসত্য মাধ্যমকে ভিত্তি করে, অথবা মিথ্যা কথার সাহায্যে কারো সঙ্গে কোন রুপ লেদদেন যা অর্থ সংক্রান্ত হতে পারে অথবা ঐ কাজের ফলে কারও কোনরুপ সম্পত্তি গত/আর্থিক/শারীরিক / মানসিক ক্ষতি-র কারণ হয় অথবা
ঐ কাজের পরিনাম এ কেউ অন্যায়ভাবে কাউকে ও ঐ মিথ্যা উদ্যেশ্য সফল করার জন্য আটক রাখে পরিনামে তার ঐ পূর্ববর্নিত কার্যাবলীগুলি হয় তবে তাকে প্রতারনার মাধ্যমে ঐ সংগঠিত হয়েছে বলে প্রতারনার দৃষ্টি ভঙ্গিতে ঐ অপরাধ পূর্বাপর অপরাধ গুলি সঙ্গে বিবেচিত হয়。
কারাদন্ড ও অর্থদন্ড উভয় একই সাথে গ্রাহ্য。
ইচ্ছাকৃত অসাবধানতা যা কোন কাজের জন্য স্বাভাবিকভাবে সাবধান হওয়া উচিত ও আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক সে ক্ষেত্রে ঐ ইচ্ছাকৃত অসাবধানতা-র কারনে কোনরুপ ক্ষতি যা আর্থিক / শারীরিক / মানসিক/ সামাজিক / পারিবারিক / সম্পত্তিগত ত্রুটির সার্বিক ভাবে / জনস্বার্থহানীর কারণ হবে。
এটি অপরাধ বিবেচিত হবে ও ভাবততীয় দণ্ডবিধির ২৬৮ নং বিধান অনুযায়ী কারাদন্ড ও অর্থদন্ড গ্রাহ্য।
"ম্যালিস”- বা বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে কোনরুপ কার্যকলাপ যার ফলে / প্রতিক্রিয়ায় যাবতীয় ক্ষতির কারণ এককভাবে অথবা যৌথভাবে হতে পারে/ ভবিষ্যতে হওয়ার সম্ভাবনা আছে তবে তা দন্ডগ্রাহ্য。
কারাদন্ড বা অর্থদন্ড উভয়-ই স্বীকৃত। খুব সোজা বাংলায় যাকে বলে হিংসা বা "জেলাসী" র দ্বারা কৃত কোন কাজ。

No comments:
Post a Comment