মানবাধিকার রক্ষা আইন
আইনের বিধানে অস্থির বা প্রকৃত আইনের প্রয়োগে যদি মানুষের রক্ষাই প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে।
অথবা বলা যেতে পারে মূল মানব এর অধিকার রক্ষাতে যদি কোন প্রকার বিপত্তি আছে তবে মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ হওয়া যেতে পারে।
বিষয়টি কি? একটি ঘটনার মাধ্যমে ব্যাখ্যা দেওয়া যেতে পারে।
খুন বা মার্ডার এর একটি নির্দিষ্ট সংজ্ঞা আছে।
আইনের অনুযায়ী খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্থ হলেন রামবাবু।
স্বাভাবিক ভাবেই রামবাবু-র মৃত্যু দন্ড আদালত আইনের বিধান অনুযায়ী স্বীকৃতি দিল।
এবার প্রশ্ন আসবে, রামবাবু-র মৃত্যু কি আইনের বিধানে অটুট রাখতে অপর বিবেচিত হত্যাকান্ড নয়?
ঠিক এই ঘটনার ব্যাখা দিতে বা বিতর্ক সভাতে কিন্তু প্রশ্ন আসবে রামবাবু-র ও মানবাধিকার আছে?
আবার উল্টো দিকে, অবসরের পর অবসর কালীন ভাতা বা পেনশন যে অবস্থাতে যে রকম তার প্রয়োগ হচ্ছে তা ঠিক নয়। সব চাইতে লজ্জাকর বিষয় হচ্ছে আইনের নানা পদ্ধতি-র প্রয়োগেও বিষয়টি সরলিকরণ হচ্ছে না।
এখানেও মানবাধিকার রক্ষা-র প্রশ্ন বড় হয়ে দাঁড়াবে বা উল্টো দিক থেকে বলা চলে।
মানবাধিকার কমিশন এর একটি ভূমিকা থাকবে。
বিচার চেয়ে পাই নি, বিচার প্রার্থনায় সুবিচার হয়নি, বিচার ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে বিচার্য বিষয় অবলুপ্তি ঘটেছে কিন্তু অকিার টুকু প্রমাণের অপেক্ষায়- যাবতীয় বিষয়ে মানবাধিকার রক্ষা কমিশনের হস্তক্ষেপ বিষয়াদি তরান্নিত করে।
এ ব্যাপারে বিগত সরকারী দৃষ্টিভঙ্গি বলা যেতে পারে।
আইনি বিধান মতে " ফাসুড়ে'-র দ্বারা ফাঁসি দেওয়া হয়। কিন্তু বিবেচনার সুক্ষুতায় সরকারী প্রস্তাব ছিল চিকিৎসকদের দ্বারা মৃত্যুকালীন ইনজেকশন এর সাহায্যে ঐ ফাঁসির চিকিৎসা পরিভাষায় জীবন রক্ষাই শেষ কথা - মৃত্যু নয় এমত অবস্থায় চিকিৎসকগণও ঐ কাৰ্য্য অস্বীকার করেছে。
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
(১৯০৮ এর ৫)
দেওয়ানী আদালত সমূহের কার্য প্রক্রিয়া সম্বন্ধীয় আইন সমূহ সুদৃঢ় করার জন্য প্রণীত বিবি। যে হেতু দেওয়ানী আদালত সমূহের কার্য প্রক্রিয়া সম্বন্ধীয় আইন সমূহ দৃঢ় ও শোধিত করা উদ্দেশ্য সাধনের পক্ষে উপযোগী বা সুবিধাজনক ঠিক এই নিম্নলিখিত বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণভাবে বিবেচিত হয়ে আইন প্রনয়ন করা হলঃ-
১। সংক্ষিপ্ত নাম, প্রারম্ভ/প্রস্তুতি
- (১) এই অধিনিয়মটিকে ন্যায় প্রনালী সংহিতা, ১৯০৮ [ = দেওয়ানী প্রক্রিয়া সংহিতা, ১৯০৮ নামে অভিহিত করা যাবে।]
- (২) এটা ১৯০৯- এর জানুয়ারী মাসের প্রথম দিনে বলবৎ হবে।
- (৩) এটা (ক) জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য; এবং (খ) নাগাল্যান্ড রাজ্য এবং আদিবাসী এলাকা সমূহ ব্যতীত সমগ্র ভারতে প্রযোজ্য হবে:
প্রকাশ থাকে যে, সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার সরকারী ঘোষণা পত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে, উক্ত বিজ্ঞাপনে যে প্রকার উল্লেখিত তদ্রুপ অনুপুরক, আনুষঙ্গিক ও অনুবর্তী পরিবর্তনাদি সহ, এই সংহিতার বিধান সমূহ বা তাদের কোনটি সমগ্র নাগাল্যান্ড রাজ্যের বা তার অংশে এবং উক্ত বিজ্ঞাপনে উল্লেখিত আদিবাসী এলাকা সমূহে কার্যকর করতে পারেন।
সাত ব্যাখ্যা- এই প্রকরণে "আদিবাসী এলাকা" বলতে বোঝায় সেই সকল অঞ্চল যা ২১ শে জানুয়ারী ১৯৭২ এর অব্যবহিত পূর্বে, সংবিধানের ষষ্ঠ অনুসূচীর ২০ অনুচ্ছেদে যে প্রকার উল্লেখিত আছে সেই প্রকার আসামের আদিবাসী এলাকা সমূহের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
(৪) আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং অস্ত্রপ্রদেশ রাজ্য -এর পূর্ব গোদাবরী, পশ্চিম গোদাবরী এবং বিশাখাপত্তনম এজেন্সী সমূহ এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল লাক্ষাদ্বীপের ব্যাপারে এই সংহিতার প্রয়োগ হবে এই সংহিতার প্রয়োগ বিষয়ে এরূপ দ্বীপপুঞ্জ এজেন্সী বা এরূপ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সমকালে বলবৎ থাকা কোন নিয়ম বা প্রনিয়ম এর প্রয়োগ ক্ষুন্ন না করে।
বিষয় বা পূর্বাপর কথার বিরুদ্ধভাব কিছু না থাকলে এই আইনে-
- (১) নিয়মাবলী "সংহিতা” র অন্তর্ভুক্তঃ
- (২) "আজ্ঞপ্তি” বলতে বোঝায় বিচারপূর্বক দেওয়া কোন রায়ে -এর নিয়মনিষ্ঠ [ নিয়মগত প্রকাশ [অভিব্যক্তি], যে আদালত কর্তৃক তা প্রকাশিত্ব [অভিব্যক্ত] হয়েছে তার ব্যাপারে, যা মকদ্দমার সকল বা যেকোন বিরোধ বিষয়ে সমাপ্তিমূলক ভাবে [ উপসংহার মূলক ভাবে, চূড়ান্ত রূপে পক্ষগনের অধিকার নির্ধারণ করে এবং তা প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আর্জি বাতিল করা প্রত্যাখ্যান করা এবং ১৪৪ ধারার অভ্যন্তরে যে কোন যার বিরুদ্ধে আপিল করা যায় আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ন্যায়, অথবা (খ) অক্ষমতা বা অবহেলার জন্য খরিজ করার যে কোন আদেশ এর অন্তর্ভক্ত নয়ে।
ব্যাখ্যা- কোন আদেশ প্রাথমিক হবে যখন মকদ্দমাটি পুরাপুরি শেষ হবার পূর্বে আরও কার্যবাহ গ্রহন করতে হবে। তা চূড়ান্ত সমাপ্তি মূলক, উপসংহার মূলক | হবে যখন বিচার পূর্বক প্রদত্ত ঐরূপ রায় মকদ্দমাটির সম্পূর্ণ অবসান ঘটায়। এর আংশিক ভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চুড়ান্ত হতে পারে:
- (৩) "আজ্ঞপ্তি - ধারক" বলতে বোঝায় এরূপ ব্যক্তিকে যার অনুকূলে কোন আজ্ঞপ্তি বা নির্বাহযোগ্য আদেশ প্রদত্ত হয়েছে:
- (৪) "জেলা” বলতে বোঝায় আদিম অধিক্ষেত্রের মুখ্য দেওয়ানী আদালত (অতঃপর জেলা আদালত বলে কথিত) এর অধিক্ষেত্র স্থানীয় সীমা এবং কোন হাইকোর্টের সাধারণ আদিম দেওয়ানী অধিক্ষেত্রর স্থানীয় সীমা এর অন্তর্ভুক্ত:
- (৫) "বিদেশী আদালত” বলতে বোঝায় একটি আদালত যা ভারতের বাইরে অবস্থিত এবং যা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাধিকার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বা পরিচালিত নয়:
- (৬) "বিদেশী রায়” বলতে বোঝায় বিদেশী আদালতের রায়:
- (৭) "সরকারী উকিল" অভিব্যক্তির মধ্যে পড়েন সরকারী উকিল -এর উপর এই সংহিতা দ্বারা ব্যক্তভাবে অর্পিত সকল বা যে কোন কার্য সম্পদনার্থ রাজ্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত যে কোন আধিকারিক এবং আরও সরকারী উকিলের নির্দেশ কার্য সম্পাদনকারী যে কোন উকিল:
- (৭ক) আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ব্যাপারে "হাইকেটি বলতে বোঝায় কলকাতাস্থিত হাইকোট:
- '(৭খ) ১, ২৯, ৪৩, ৪৪, ক, ৭৮, ৭৯, ৮২, ৮৩, এবং ৮৭ ক ধারা সমূহে ছাড়া "ভারত' বলতে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য ব্যতীত ভারত এলাকা:
- (৮) "বিচারক" বলতে বোঝায় দেওয়ানী আদালতের কর্তৃত্বকারী আধিকারিক-কেঃ
- (৯) "রায়” বলতে বোঝায় আজ্ঞপ্তি বা অদেশের ভিত্তিতে বিচারক কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃত্তিঃ
- (১০) "নির্নীত ঋনী” বলতে এরূপ ব্যক্তিকে বোঝায় যাঁর বিরুদ্ধে আজ্ঞপ্তি প্রদত্ত হয়েছে বা নিবাহযোগ্য আদেশ প্রদত্ত হয়েছে:
- (১১) "বৈধিক প্রতিনিধি' বলতে এরূপ ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি আইন মতে কোন। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব কারী, এবং যে কোন ব্যক্তি যিনি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অপ্রয়োজনীয় ভাবে হস্তক্ষেপ করেন [= মাথা গলান] তিনি এর অন্তর্ভুক্ত এবং যেখানে কোন পক্ষ প্রতিনিধিত্ব মূলক রূপ নিয়ে মকদ্দমা দায়ের করেন বা ঐভাবে তাঁর বিরুদ্ধে মকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেখানে ঐভাবে মকদ্দমা দায়েরকারী পক্ষ বা যে পক্ষের বিরুদ্ধে ঐরূপ মকদ্দমা দায়ের করা হয়, তাঁর মৃত্যু হলে যে ব্যক্তির উপর ঐ সম্পত্তি বর্তায় [ যাঁর নিকট ঐ সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়] সেই সেই ব্যক্তিকে।
- (১২) সম্পত্তির "মধ্যকালীন লাভ' বলতে বোঝায় সেই সকল লাভ কে যা যে ব্যক্তি ঐ সম্পত্তি অন্যায়ভাবে স্বীয় দখলে রেখেছেন তিনি প্রকৃত পক্ষে তা থেকে পেয়েছে কিংবা সাধারন পরিশ্রম [বা অধ্যাবসায় প্রয়োগে পেতে পারতেন, ঐরূপ লাভের উপর সুদসহ, কিন্তু ঐভাবে অন্যায়ভাবে স্বীয় দখলে রাখা ব্যক্তি ঐ সম্পত্তির কোন উন্নয়ন সংসাধন করলে উক্ত উন্নয়ন জাত লাভর তার অর্ন্তভুক্ত হবে না:
- ( ১৩) বৃদ্ধি পাচ্ছে এরূপ ফসল "অস্থাবর সম্পত্তির" অর্ন্তভুক্ত:
- (১৪) "আদেশ” বলতে বোঝায় কোন দেওয়ানী আদালতের সিদ্ধান্তের নিয়ম নিষ্ঠ অভিব্যক্তি যা আজ্ঞপ্তি [ডিক্রি] নয়:
- (১৫) 'উকিল' বলতে বোঝায় এরূপ ব্যক্তিকে যিনি আদালতে অন্য ব্যক্তির পক্ষে উপস্থিত থাকবার ও পক্ষ সমর্থন করার অধিকার প্রাপ্ত এবং হাইকোর্টের অধিকর্তা উকিল এবং এ্যাটর্নী [= ব্যবহার দেশক, ন্যায়বাদী এর মধ্যে পড়েন:
- (১৬) "নির্দিষ্ট" বলতে নিয়মবলী দ্বারা নির্দিষ্ট বোঝায়:
- (১৭) "সরকারী আধিকারিক" বলতে বোঝায় এরূপ একজন ব্যক্তিকে যিনি নিম্নলিখিত যে কোন বিবরনের মধ্যে পড়েন যথা:-
- (ক) প্রত্যেক বিচারক।
- (খ) সর্বভারতীয় প্রতেকে-এর প্রত্যেক সদস্য।
- (গ) সরকারের অধীনে সেবা প্রদানকারী ভারত রাষ্ট্রের সামরিক, নৌ বা আকাশ বল এর প্রত্যেক কমিশন প্রাপ্ত বা গেজেটেড্ আধিকারিক।
- (ঘ) আদালতের প্রত্যেক আধিকারিক ঐরূপ আধিকারিক হিসাবে যার কর্তব্য হল আইন বা তথ্য সম্বন্ধীয় যে কোন ব্যাপারে তদন্ত করা বা প্রতিবেদন দেওয়া, অথবা যে কোন দস্তাবেজা প্রস্তুত করা প্রমানিত করা বা রক্ষা করা, অথবা যে কোন সম্পত্তির দায়িত্ব নেওয়া বা হস্তান্তর করা, অথবা যে কোন বিচারিক পরওয়ানা নির্বাহ করা, অথবা আদালতে শপথ গ্রহন করানো ব্যাখ্যা করা বা শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং এরূপ যে কোন কর্তব্য পালনার্থ আদালত কর্তৃক বিশেষভাবে প্রাধিকৃত যে কোন ব্যক্তি।
- (ঙ) প্রত্যেক ব্যক্তি যিনি এরূপ পদে অধিষ্ঠিত আছেন যার ফলে তিনি যে কোন ব্যক্তিকে আটক করার বা আটক রাখার ক্ষমতা সম্পন্নঃ
- (চ) সরকারের প্রত্যেক আধিকারিক ঐরূপ আধিকারিক হিসাবে যাঁর কর্তব্য হল অপরাধ নিবারণ করা, অপরাধ সম্বন্ধীয় সমাচার প্রদান করা, অপরাধীদের বিচার ব্যবস্থা করা, অথবা সার্বজনিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বা সুযোগ সুবিধা রক্ষা করা।
- (ছ) প্রত্যেক আধিকারিক ঐরূপ আধিকারিক হিসাবে যাঁর কর্তব্য হল সরকারের পক্ষে যে কোন সম্পত্তি গ্রহন করা, নেওয়া রক্ষা করা বা ব্যয় করা অথবা সরকারের পক্ষে যে কোন জরিপ করা কর প্রভৃতি নির্ধারণ করা অথবা চুক্তি করা অথবা যে কোন রাজস্ব পরওয়ানা নির্বাহ করা এবং অথবা সরকারের আর্থিক স্বার্থকে প্রভাবিত করে এরূপ যে-কোন ব্যাপারে তদন্ত করা কিংবা প্রতিবেদন দেওয়া অথবা সরকারের আর্থিক স্বার্থ বিষয়ক যে কোন দস্তাবেজ প্রস্তুত করা, প্রমানিত করা অথবা রক্ষা করা অথবা সরকারের আর্থিক স্বার্থর সুরক্ষার জন্য আইন লঙ্ঘনে বাধা দেওয়া এবং
- (জ) সরকারের সেবায় নিযুক্ত বা সরকারের বেতনভোগী প্রত্যেক আধিকারিক বা যে কোন সরকারী কর্তব্য পালন করার জন্য সরকারের নিকট থেকে ফি বা কমিশন প্রাপক যে কোন আধিকারিক।
- (১৮) “নিয়মাবলী” বলতে বোঝায় প্রথম অনুসূচীতে বিবৃত কিংবা ১২২ ধারা বা ১২৫ ধারায় অধীনে প্রনীত নিয়মাবলী ও নিদেশসমূহ।
- ১৯) স্টক, ডিবেঞ্চার স্টক, ঋণপত্র ও বন্ড "নিগমের অংশ" এর অন্তর্ভুক্ত।
- ২০) রায় ও আজ্ঞপ্তি-র ক্ষেত্র ব্যতীত স্ট্যাম্পযুক্ত 'স্বাক্ষরিত"র অন্তর্ভুক্ত।
আইন গত প্রতিনিধি, "আইনগত প্রতিনিধি, সংজ্ঞাটি কেবলমাত্র আইনগত উত্তরাধিকারীদের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি আইনগত উত্তরাধিকারী হতেও পারেন নাও হতে পারেন। মৃতের সম্পত্তির প্রতিনিধিত্বই তাঁর করা উচিত। সম্পত্তিতে তাঁর স্বত্তের অধিকার না থাকতেও পারে। মৃতের সম্পত্তির অধিকার ভোগ তিনি সম্পাদক অথবা পরিচালক হতে পারেন।
এই সংহিতার প্রয়োজনে, জেলা আদালত হাইকোর্টের অধীন এবং জেলা আদালত অপেক্ষা নিম্নতর পর্যায়ের প্রত্যেক দেওয়ানী আদালত এবং কনিষ্ঠ আদালত হাইকোর্ট এবং জেলা আদালতের অধীন
১) বিরুদ্ধভাবের নির্দিষ্ট কোন বিধান না থাকলে এই সংহিতার কোন কিছু বর্তমানে বলবৎ থাকা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনকে অথবা কোন বিশেষ অধিক্ষেত্র বা অর্পিত ক্ষমতাকে, কিংবা সমকালে বলবৎ থাকা অন্য কোন আইন দ্বারা বা অন্য কোন আইনের অধীনে নির্দিষ্টকৃত কোন বিশেষ ধরনের প্রক্রিয়াকে সীমিত বা অন্য প্রকারে প্রভাবিত করছে বলে ধরা যাবে না।
২) বিশেষ ভাবে এবং ১) উপধারায় বিধৃত বিবৃতির সাধারণত্ব ক্ষুন্ন না করা এই সংহিতার কোন কিছু কৃষি জমির ফসল থেকে উক্ত জমির খাজনা আদায়ের জন্য সমকালে বলবৎ থাকা কোন আইনের অধীনে কথিত জমির ধারক বা ভূস্বামী যে প্রতিকার পেতে পারেন তাকে সীমিত বা প্রভাবিত করছে বলে মনে করা যাবে না।
১) যে স্থলে কোন রাজস্ব আদালত সমূহ এই সংহিতার বিধান সমূহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, সে স্থলে প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সেই সকল ব্যাপারে যার উপর তাদের পক্ষে প্রযোজ্য কোন বিশেষ অধিনিয়ম গৌণ, রাজ্য-সরকার, সরকারী ঘোষণ পত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে ঘোষণা করতে পারেন যে, সেই সকল বিধানের যে-কোন অংশসমূহ যা এই সংহিতা দ্বারা ব্যক্তভাবে প্রযোজ্য করা হয় নি ঐ আদালত সমূহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না কিংবা রাজ্য-সরকার যে প্রকার নির্ধারণ করেন কেবল সেই সকল প্রকার পরিবর্তন সহ তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
২) (১) - উপাধারায় "রাজস্ব আদালত” বলতে সেই আদালতকে বোঝায় যে কোন স্থানীয় আইনে যার অধিক্ষেত্র থাকে কৃষি উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত জমির খাজনা, রাজস্ব বা লাভ সম্বন্ধীয় মকদ্দমা বা অন্য কার্যবাহ গ্রহন করার, কিন্তু সেই দেওয়ানী আদালত এর মধ্যে পড়ে না যার ঐগুলি দেওয়ানী প্রকৃতির মকদ্দমা বা কার্যবাহ বলে ঐরূপ মকদ্দমা বা কার্যবাহ-র বিচার করার আধিকার আছে এই সংহিতার অধীনে।
অন্য প্রকারে যা ব্যক্ত ভাবে বলা হয়ে তা রক্ষা করে, এতে বিধৃত কোন কিছু কোন আদালতকে যার বিষয় বস্তুর অর্থপরিমান বা মূল্য সাধারণ অধিক্ষেত্র-র আর্থিক সীমা (কিছু থাকলে) অতিক্রম করে এরূপ মকদ্দমার উপর অধিক্ষেত্র দিতে কার্যকর হবে না।
[ ছোট আদালতে ক্রিয়াশীল ধর্মাধিকরণ] নিম্নলিখিত বিধান সমূহ প্রযোজ্য হবে না প্রদেশিক কনিষ্ট ন্যায়ালয় অধিনিয়ম ১৮৮৭, এর অধীনে কিংবা লঘুবাদ ন্যায়ালয় আইন, ১৯০৫ এর অধীনে গঠিত আদালত সমূহের ক্ষেত্রে, অথবা কথিত অধিনিয়মের বা আইনের অধীনে লঘুবাদ ন্যায়ালয়ের অধিক্ষেত্র প্রয়োগকারী আদালতের ক্ষেত্রে, অথবা ভারতের যে কোন অংশের এইরূপ আদালতের ক্ষেত্রে, যাতে কথিত আইন প্রযোজ্য নয় এবং যা সম অধিক্ষেত্র প্রয়োগ করে, অর্থাৎ-
সংহিতার দেহের সেই অংশ যা নিম্নলিখিত বিষয় সম্বন্ধীয়
- (১) কনিষ্ঠ ন্যায়ালয়
- ক) দ্বারা গ্রাহ্য নহে এরূপ মকদ্দমা। (২) এরূপ মকদ্দমার বিজ্ঞপ্তির নির্বাহ। (৩) স্থাবর সম্পত্তির বিজ্ঞপ্তির নির্বাহ; ধারা সমূহ, অর্থাৎ।
- খ) নিম্নলিখিত ধারা সমূহ অর্থাৎ
ধারা- ৯, ধারা ৯১ ও ৯২, ধারা ৯৪ ও ৯৫, সেই অবধি যেখানে তাহারা নিম্নলিখিত বিষয়ে প্রাধিকৃত করে বা নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ সমন্ধীয়-
- (১) স্থাবর সম্পত্তির ক্রোক করার আদেশ।
- (২) নিষেধাজ্ঞা।
- (৩) স্থাবর সম্পত্তির "রিসিভার" নিয়োগ অথবা।
- (৪) ৯৪ ধারায় কার্যাবলী ৬) এ, এবং ৯৬ থেকে ১১২ এবং ১১৫ ধারায় উল্লেখিত অন্তর্গত আদেশ [আন্তরস্থিত আদেশ]।
ধারা ২৪, ২৮ থেকে ৪১, ৭৫ প্রকরণ ক), (খ), ও (গ), ৭৬, ৭৭, এবং ১৫৫ থেকে ১৫৮-এ এবং প্রেসিডেন্সি কনিষ্ঠ ন্যায়ালয় অধিনিয়ম ১৮৮২ তে যে বিধান সমূহ প্রদত্ত আছে তা ব্যতিরেকে এই সংহিতার দেহস্থিত বিধান সমূহ কলকাতা, চেন্নাই ও মুম্বাই শহরে প্রতিষ্ঠিত যে কোন লঘুবাদ ন্যায়ালয়ের যে কোন মকদ্দমা বা কার্য বাহে প্রযোজ্য হবে না。
প্রকাশ থাকে যে
- ১) ফোর্ট উইলিয়াম, চেন্নাই ও মুম্বাই-তে অবস্থিত হাইকোর্ট সমূহ যেখানে যে প্রকার, সময়ে সরকারী ঘোষণাপত্রে জ্ঞাপন দিয়ে নির্দেশ দিতে পারেন যে, এরূপ কোন বিধান যা প্রেসিডেন্সি কনিষ্ঠ ন্যায়ালয় অধিনিয়ম, ১৮৮২ ব্যক্ত বিধান সমূহর সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন নয় এবং কথিত বিজ্ঞাগন যে প্রকার উল্লেখিত হতে পারে সেই প্রকার পরিবর্তন ও গ্রহন সহ, ঐরূপ আদালতের যে কোন মকদ্দমা বা কার্যবাহর ক্ষেত্রে বা যে কোন শ্রেণির মকদ্দমা বা কার্যবাহ-র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
- ২) প্রেসিডেন্সি কনিষ্ঠ ন্যায়ালয় আইন, ১৮৮২-এর ৯ ধারার অধীনে কথিত হাইকোর্ট সমূহ দ্বারা পূর্বে প্রনীত যাবতীয় নিয়মাবলী বিধিসম্মতভাবে প্রনীত হয়েছে বলে মনে করা হবে।

No comments:
Post a Comment