জামিন সংক্রান্ত
সাধারনতঃ যে কোন ফৌজদারী অপরাধ সংগঠিত হবার আগে অথবা পরে ঘটনাটা ঐ পুলিশ কর্তৃপক্ষের তদারকিতে আদালতের আঙিনা স্পর্শ করে।
অভিযুক্ত ব্যাক্তি অপরাধ করেছে, কি করেনি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত তদন্ত সাপেক্ষ।
এমত অবস্থায় দীর্ঘদিন ঐ লোকটিকে হাজত বাস করানো ঠিক ভারতীয় সংবিধান এর নাগরিক এর অধিকার এর পরিপন্থি।
ঠিক এই যায়গা থেকেই এই ধারনার উৎস ও বৃদ্ধি প্রাপ্যতা।
অপরাধ এর মাত্রা ও সেই অনুযায়ী আইন এর ব্যাখ্যা গুলি স্বীকৃতি দিয়েছে। কোন অপরাধে অ্যারেস্ট করা হলে তা জামিন অর্থাৎ সাময়িক মুক্তি লাভ আবার কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে নিদিষ্ট সময় যা কিনা সংশ্লিষ্ট ন্যায়াধিশ এর অনুমোদন সাপেক্ষ তার থেকে মুক্তি লাভ এরূপ ক্ষেত্রে ঐ জামিন পাওয়া সবই আইনি ব্যাখ্যার মধ্যে আছে।
সব সময় মনে রাখতে হবে জামিন পাওয়া বা না পাওয়া সবই কিন্তু আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষ, কিন্তু সমস্ত ব্যাপারটা আইনের ইচ্ছাধীন।
আইনগত বিধান অনুযায়ী যে অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন দেওয়ার বিধান আছে তাতে জামিন দিতে আদালত উদার মনোভাব গ্রহন করে।
আবার যে খানে জামিনের বিরোধীতা আইনে আছে তাতে আদালত সততই বিরোধী থাকেন।
তবে এরসঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে যে, বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে যদিও এর বিধান অনুকুলে থাকেও বা তবেও আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে প্রয়োজনে হস্তক্ষেপ করতে পারে।
আইন বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর
মনে রাখতে হবে, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির কোন অংশ যেখানে থাকবে অর্থাৎ যে আদালতের বিষয় এর মধ্যে থাকবে সেইখানে মামলা দায়ের করা যাবে।
যদি আদালত সন্তুষ্ট হন, যে এটি সঠিক, তবে এই মর্মে একটি বিবৃতি নথীভুক্ত করবার পর বিষয়টা নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।
হ্যাঁ। দিল্লীতে বসবাসকারী রামবাবু মাদ্রাজে শ্যামবাবুর বাড়ি নষ্ট করার চেষ্টা করে। শ্যামবাবু হয় দিল্লী, নয় চেন্নাইয়ে মামলা দায়ের করতে পারেন।
এটি আইনগত সিদ্ধ নয়। মামলা চলাকালীন অবস্থায় কেউ কোনও সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারবে না।
হ্যাঁ যায়। তবে পূর্ন সম্মতি প্রয়োজন।
কনজিউমার ফোরাম এ অভিযোগ জানান।
সমস্যাটা একটু মনস্তাত্বিক। আইন দিয়ে সমাধান সম্ভব নয়। সংবেদনশীলতা প্রয়োজন। তবে এর কারনে গৃহবধুর কোন ক্ষতি হলে সাময়িকভাবে আইন আপনাকে অভিযুক্ত করতে পারে।
হ্যাঁ, তা সম্ভব, মিউচুয়াল ডিভোর্স এর জন্য আবেদন করুন।
আপনি পুলিশকে জানান। ডায়েরি করুন, তবে, এখনও আদালতে আপনি প্রার্থনা করতে পারেন না যে স্বামী মৃত, এই মর্মে ঘোষনা পত্র।
না। বিবাহ অসিদ্ধ।
না। উভয় প্রাপ্ত বয়স্ক থাকা প্রয়ো-জন, এই যথেষ্ট। কে বড়, কে ছোট, তার প্রয়োজন আইনে নেই।
হ্যাঁ নিজ অংশের উইল বা দানপত্র করা চলে।
হ্যাঁ। বাধ্যতা মূলক।
না। তবে করে রাখা ভাল।
হ্যাঁ যাবে। ভরণ পোষণ পেতে কোনও অসুবিধা নেই।
বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করুন, সফল না হলে, বধূ পীড়নের অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।
হ্যাঁ।
উইল করার পর পাওয়া যাবে এটি ভুল, উইল কারী -র মৃত্যুর পর ঐ উইল এর প্রবেট নিতে হয়। প্রবেট এর পর বাড়ি পাওয়া যাবে।
এর বিরুদ্ধে আপীল হয় না।
হ্যাঁ, শাস্তি কমাতে সরকার পারেন।
না। যাবৎ জীবন মানে ১৪ বছর কারাদণ্ড।
মোটামোটি আপনার ধারনা সত্য।
পুনঃ বিবাহে খোরপোষ পাওয়া যায় না।

No comments:
Post a Comment