সাথি গল্পের সমস্ত প্রশ্নোত্তর - তৃতীয় শ্রেণি (অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ের দশম পাঠ 'সাথি' (লেখক: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর) গল্পের সমস্ত অনুশীলনী প্রশ্নোত্তর এখানে খুব সুন্দর ও সহজ ভাষায় আলোচনা করা হলো। ছাত্রছাত্রীদের পড়ার সুবিধার্থে প্রতিটি প্রশ্ন এবং তার উত্তর আলাদা আকর্ষণীয় রঙে সাজানো হয়েছে!
১. একটি বাক্যে উত্তর দাও :
১.১ তালগাছ কোথায় একলা বাড়ল?
উত্তর: তালগাছ তেপান্তর মাঠের মাঝে একলা বাড়ল।
১.২ ঘন নীল ছায়ার মতো কাদের দেখা যায়?
উত্তর: দূরে মাঠ-ঘেরা বনকে ঘন নীল ছায়ার মতো দেখা যায়।
১.৩ মাঠের চেয়ে বড়ো কে?
উত্তর: মাঠের চেয়ে বড়ো হলো আকাশ।
১.৪ হাওয়ার সঙ্গে কে আসে?
উত্তর: হাওয়ার সঙ্গে তার সাথি ফুলের গন্ধ আসে।
১.৫ ঝড়ের সঙ্গে কে কে আসে?
উত্তর: ঝড়ের সঙ্গে তার সাথি আঁধি আর বৃষ্টি আসে।
১.৬ শরতের মেঘের সাথি কে?
উত্তর: শরতের মেঘের সাথি হলো বলাকা।
১.৭ তালগাছ কেন বৃথা আঁকুপাঁকু করে?
উত্তর: তালগাছ একা থাকতে চায় না, সে অন্যদের সঙ্গে চলতে চায়, কিন্তু সে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে না বলে বৃথা আঁকুপাঁকু করে।
১.৮ তালগাছের কাছে কারা যাওয়া আসা করতে লাগল?
উত্তর: একদিন কোথা থেকে দুটি বাবুইপাখি তালগাছের কাছে আসা-যাওয়া করতে লাগল।
১.৯ বাবুই পাখিরা কোথায় বাসা বাঁধল?
উত্তর: বাবুই পাখিরা তালগাছের প্রাণ যেখানে বাতাসে ঝিলমিল করে, সেইখানে চমৎকার করে তাদের সুন্দর বাসাটি বাঁধল।
১.১০ তালগাছ চুপ করে ভাবে কেন?
উত্তর: একদিন ছোটো ছোটো পাখি খেলাঘর ছেড়ে একে একে উড়ে গেলে তালগাছ একা হয়ে শূন্য বাসা নিয়ে দোলা দেয় আর চুপ করে কী যেন ভাবে।
২. উপযুক্ত শব্দ বেছে নিয়ে শূন্যস্থানে বসাও :
উত্তর:
২.১ চারিদিকে ধুধু [ধু ধু / হু হু] করছে।
২.২ সেখানে লতাপাতা সব গলাগলি [দলাদলি / গলাগলি] করে আছে।
২.৩ সেখানে তারা সব ঘেঁষাঘেঁষি ঝিলমিল [ঝিলমিল / কিলবিল] করছে।
২.৪ তারা দুটিতে মিছিমিছি কত কী বকাহকি [হাঁকাহাঁকি / বকাবকি] করে।
২.৫ মাঠের থেকে কুটোকাটা [এঁটোকাঁটা / কুটোকাটা] নিয়ে বাসা বাঁধে।
২.১ চারিদিকে ধুধু [ধু ধু / হু হু] করছে।
২.২ সেখানে লতাপাতা সব গলাগলি [দলাদলি / গলাগলি] করে আছে।
২.৩ সেখানে তারা সব ঘেঁষাঘেঁষি ঝিলমিল [ঝিলমিল / কিলবিল] করছে।
২.৪ তারা দুটিতে মিছিমিছি কত কী বকাহকি [হাঁকাহাঁকি / বকাবকি] করে।
২.৫ মাঠের থেকে কুটোকাটা [এঁটোকাঁটা / কুটোকাটা] নিয়ে বাসা বাঁধে।
৩. নীচের শব্দগুলি দিয়ে বাক্য তৈরি করো :
উত্তর:
তেপান্তর: তেপান্তর মাঠের মাঝে তালগাছটি একলা দাঁড়িয়ে আছে।
বলাকা: শরতের আকাশে বলাকারা সারি বেঁধে উড়ে যায়।
আঁকুপাঁকু: বন্দি পাখিটি খাঁচা থেকে বেরোনোর জন্য আঁকুপাঁকু করছে।
মিছিমিছি: ভাইবোন দুটিতে মিছিমিছি ঝগড়া করছে।
ঝিলমিল: রাতের আকাশে তারারা ঝিলমিল করে।
তেপান্তর: তেপান্তর মাঠের মাঝে তালগাছটি একলা দাঁড়িয়ে আছে।
বলাকা: শরতের আকাশে বলাকারা সারি বেঁধে উড়ে যায়।
আঁকুপাঁকু: বন্দি পাখিটি খাঁচা থেকে বেরোনোর জন্য আঁকুপাঁকু করছে।
মিছিমিছি: ভাইবোন দুটিতে মিছিমিছি ঝগড়া করছে।
ঝিলমিল: রাতের আকাশে তারারা ঝিলমিল করে।
৪. একই অর্থের শব্দ পাঠ থেকে খুঁজে নিয়ে লেখো :
উত্তর:
নীড় ➔ বাসা
ভর্ৎসনা ➔ বকাবকি
গগন ➔ আকাশ
প্রান্তর ➔ মাঠ
বিজলি ➔ বিদ্যুল্লতা
নীড় ➔ বাসা
ভর্ৎসনা ➔ বকাবকি
গগন ➔ আকাশ
প্রান্তর ➔ মাঠ
বিজলি ➔ বিদ্যুল্লতা
৫. বিপরীতার্থক শব্দ লেখো :
উত্তর:
ঘন ➔ পাতলা / ফাঁকা
দূরে ➔ কাছে
আছে ➔ নেই
ছোটো ➔ বড়ো
ঘন ➔ পাতলা / ফাঁকা
দূরে ➔ কাছে
আছে ➔ নেই
ছোটো ➔ বড়ো
৬. ‘হার’ শব্দটিকে দুটি আলাদা অর্থে ব্যবহার করে দুটি বাক্য লেখো।
উত্তর:
১. হার (অলংকার): পারিজাতের হার গলায় পরে রাজকন্যা সেজেছে।
২. হার (পরাজয়): খেলায় হার-জিত তো থাকবেই, তাই মন খারাপ করা উচিত নয়।
১. হার (অলংকার): পারিজাতের হার গলায় পরে রাজকন্যা সেজেছে।
২. হার (পরাজয়): খেলায় হার-জিত তো থাকবেই, তাই মন খারাপ করা উচিত নয়।
৭. টীকা লেখো : শরতের মেঘ, তালগাছ।
উত্তর:
শরতের মেঘ: শরৎকালে আকাশে তুলোর মতো সাদা মেঘ দেখা যায়। এই মেঘ বৃষ্টি নিয়ে আসে না। শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ানোর দৃশ্য খুব সুন্দর লাগে।
তালগাছ: তালগাছ এক ধরনের লম্বা, শাখাহীন গাছ। এর পাতাগুলো বড়ো এবং পাখার মতো ছড়ানো থাকে। তালগাছ সাধারণত একাই উঁচু হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে এবং হাওয়ায় দোলে। তালগাছের ফল বা তাল খেতে খুব সুস্বাদু।
শরতের মেঘ: শরৎকালে আকাশে তুলোর মতো সাদা মেঘ দেখা যায়। এই মেঘ বৃষ্টি নিয়ে আসে না। শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ানোর দৃশ্য খুব সুন্দর লাগে।
তালগাছ: তালগাছ এক ধরনের লম্বা, শাখাহীন গাছ। এর পাতাগুলো বড়ো এবং পাখার মতো ছড়ানো থাকে। তালগাছ সাধারণত একাই উঁচু হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে এবং হাওয়ায় দোলে। তালগাছের ফল বা তাল খেতে খুব সুস্বাদু।
৮. বর্ণ বিশ্লেষণ করো :
উত্তর:
বিশ্বাস = ব্ + ই + শ্ + ব্ + আ + স্ + অ
কুটোকাটা = ক্ + উ + ট্ + ও + ক্ + আ + ট্ + আ
বলাকা = ব্ + অ + ল্ + আ + ক্ + আ
দুটি = দ্ + উ + ট্ + ই
বিশ্বাস = ব্ + ই + শ্ + ব্ + আ + স্ + অ
কুটোকাটা = ক্ + উ + ট্ + ও + ক্ + আ + ট্ + আ
বলাকা = ব্ + অ + ল্ + আ + ক্ + আ
দুটি = দ্ + উ + ট্ + ই
৯. যুক্তাক্ষর রয়েছে এমন পাঁচটি শব্দ পাঠ থেকে খুঁজে নিয়ে লেখো।
উত্তর:
১. বিদ্যুৎ
২. বৃষ্টি
৩. সুন্দর
৪. ক্লান্ত
৫. বৃথা
১. বিদ্যুৎ
২. বৃষ্টি
৩. সুন্দর
৪. ক্লান্ত
৫. বৃথা
১০. বাক্য বাড়াও :
১০.১ তার মাঝে একটি তালগাছ। (কোথায়? কেমন?)
উত্তর: তেপান্তর মাঠের মাঝে একটি একলা তালগাছ।
১০.২ ঝড় আসে। (কাকে নিয়ে?)
উত্তর: তার সাথি আঁধি আর বৃষ্টিকে নিয়ে ঝড় আসে।
১০.৩ তালগাছ কেবলই ডাকে। (কাদের? কীভাবে?)
উত্তর: তালগাছ কেবলই পাতাগুলো নেড়ে নেড়ে তাদের ডাকে।
১০.৪ একলা গাছ বৃথা আঁকুপাঁকু করে। (কেন?)
উত্তর: তাদের সঙ্গে চলতে চায় বলে একলা গাছ বৃথা আঁকুপাঁকু করে।
১০.৫ তারপর একদিন তাদের সুন্দর বাসাটি বেঁধে নেয়। (কারা? কোথায়? কী দিয়ে?)
উত্তর: তারপর একদিন বাবুই পাখিরা মাঠের থেকে কুটোকাটা নিয়ে তালগাছের প্রাণ যেখানে বাতাসে ঝিলমিল করে সেইখানে তাদের সুন্দর বাসাটি বেঁধে নেয়।
১১. শিক্ষিকা/শিক্ষকের সাহায্য নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘তালগাছ’ কবিতাটি এই পাঠের শেষে মিলিয়ে পড়ো।
উত্তর: (এটি ছাত্রছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষে পড়ার জন্য নির্ধারিত কাজ।)
১২. তোমার সবথেকে প্রিয় বন্ধু সম্বন্ধে চার-পাঁচটি বাক্য লেখো।
উত্তর:
১. আমার সবথেকে প্রিয় বন্ধুর নাম রাহুল।
২. আমরা একই স্কুলে এবং একই শ্রেণিতে পড়ি।
৩. সে পড়াশোনায় খুব ভালো এবং আমাকেও সাহায্য করে।
৪. টিফিনের সময় আমরা একসঙ্গে খেলি এবং খাবার ভাগ করে খাই।
৫. বিপদের সময় সে সবসময় আমার পাশে থাকে।
১. আমার সবথেকে প্রিয় বন্ধুর নাম রাহুল।
২. আমরা একই স্কুলে এবং একই শ্রেণিতে পড়ি।
৩. সে পড়াশোনায় খুব ভালো এবং আমাকেও সাহায্য করে।
৪. টিফিনের সময় আমরা একসঙ্গে খেলি এবং খাবার ভাগ করে খাই।
৫. বিপদের সময় সে সবসময় আমার পাশে থাকে।
১৩. নীচের ছবিদুটির মধ্যে অন্তত ছটি অমিল খুঁজে বের করো :
সমাধান: ছবিদুটির মধ্যে ছয়টি অমিল নিচে দেওয়া হলো:
১. প্রথম ছবিতে বাবুই পাখির বাসার সংখ্যা দুটি, কিন্তু দ্বিতীয় ছবিতে একটি।
২. প্রথম ছবিতে তালগাছের পাতার সংখ্যা দ্বিতীয় ছবির চেয়ে বেশি।
৩. প্রথম ছবিতে মেঘের সংখ্যা তিনটি, কিন্তু দ্বিতীয় ছবিতে দুটি।
৪. প্রথম ছবিতে উড়ন্ত পাখির সংখ্যা চারটি, কিন্তু দ্বিতীয় ছবিতে তিনটি।
৫. প্রথম ছবিতে ক্যাকটাস বা ফণীমনসা গাছের পাতার সংখ্যা বেশি, দ্বিতীয় ছবিতে কম।
৬. প্রথম ছবিতে ঘরের সংখ্যা দুটি, কিন্তু দ্বিতীয় ছবিতে একটি।
১. প্রথম ছবিতে বাবুই পাখির বাসার সংখ্যা দুটি, কিন্তু দ্বিতীয় ছবিতে একটি।
২. প্রথম ছবিতে তালগাছের পাতার সংখ্যা দ্বিতীয় ছবির চেয়ে বেশি।
৩. প্রথম ছবিতে মেঘের সংখ্যা তিনটি, কিন্তু দ্বিতীয় ছবিতে দুটি।
৪. প্রথম ছবিতে উড়ন্ত পাখির সংখ্যা চারটি, কিন্তু দ্বিতীয় ছবিতে তিনটি।
৫. প্রথম ছবিতে ক্যাকটাস বা ফণীমনসা গাছের পাতার সংখ্যা বেশি, দ্বিতীয় ছবিতে কম।
৬. প্রথম ছবিতে ঘরের সংখ্যা দুটি, কিন্তু দ্বিতীয় ছবিতে একটি।
No comments:
Post a Comment