নদী কবিতার সমস্ত প্রশ্নোত্তর - তৃতীয় শ্রেণি (শক্তি চট্টোপাধ্যায়)
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ের পঞ্চম পাঠ 'নদী' (কবি: শক্তি চট্টোপাধ্যায়) কবিতার সমস্ত প্রশ্ন ও উত্তর এখানে খুব সুন্দর ও সহজ ভাষায় দেওয়া হলো। ছোটোদের পড়ার সুবিধার জন্য প্রতিটি প্রশ্ন ও উত্তর আলাদা আকর্ষণীয় রঙে সাজানো হয়েছে, যাতে তারা আনন্দের সাথে পড়তে পারে।
১. একটি বাক্যে উত্তর দাও:
১.১ নদীর কথা বললে প্রথমেই তোমার কোন নদীর নাম মনে আসে?
উত্তর: নদীর কথা বললে প্রথমেই আমার গঙ্গা নদীর কথা মনে আসে। (এছাড়া রূপনারায়ণ বা দামোদর নদীর কথাও মনে পড়ে।)
১.২ নদী থেকে আমরা কোন কোন জিনিস পাই?
উত্তর: নদী থেকে আমরা প্রচুর পরিমাণে মাছ, কাঁকড়া, পানীয় জল এবং কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় জল পেয়ে থাকি।
১.৩ নদীতে চলে এমন কয়েকটি যানবাহনের নাম লেখো।
উত্তর: নদীতে চলে এমন কয়েকটি যানবাহনের নাম হলো— নৌকা, লঞ্চ, স্টিমার, স্পিডবোট এবং ভটভটি।
১.৪ নদীতে পাওয়া যায় এমন কয়েকটি মাছের নাম লেখো।
উত্তর: নদীতে পাওয়া যায় এমন কয়েকটি মাছের নাম হলো— রুই, কাতলা, ইলিশ, পাবদা, ভেটকি ইত্যাদি।
১.৫ নদীর উপর সেতু তৈরি করা হয় কেন?
উত্তর: নদীর এক পার থেকে অন্য পারে সহজে ও দ্রুত পারাপার করার জন্য এবং বাস, লরি, ট্রেনের মতো যানবাহন চলাচলের সুবিধার জন্য নদীর উপর সেতু তৈরি করা হয়।
২. নীচে পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি নদীর নাম দেওয়া হলো। নদীগুলি কোথায় তা শিক্ষিকা / শিক্ষকের থেকে জেনে নিয়ে লেখো।
উত্তর: নদীগুলি পশ্চিমবঙ্গের যে যে জেলায় বা অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায়, তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
- ভাগীরথী: মুর্শিদাবাদ, হুগলি (গঙ্গা নদী যখন পশ্চিমবঙ্গে ঢোকে, তখন এর নাম ভাগীরথী হয়)।
- তিস্তা: দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলা।
- সুবর্ণরেখা: পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলা।
- দামোদর: বর্ধমান, হাওড়া ও হুগলি জেলা।
- রূপনারায়ণ: হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলা।
- রায়মঙ্গল: দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন এলাকা।
- কংসাবতী: পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও মেদিনীপুর জেলা (একে কাঁসাই নদীও বলা হয়)।
- অজয়: বীরভূম ও বর্ধমান জেলা।
- ইছামতী: নদীয়া ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা।
- জলঢাকা: দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলা।
- তোর্সা: জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলা।
- গন্ধেশ্বরী: বাঁকুড়া জেলা।
- গোসাবা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন এলাকা।
- চূর্ণি: নদীয়া জেলা।
৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:
৩.১ কবিতায় কবির মনের ইচ্ছাটি কী?
উত্তর: কবিতায় কবির মনের ইচ্ছাটি হলো, নদী যদি সোজা পথে চলতো, তাহলে তিনিও সারা জীবন ধরে নদীর সঙ্গী হয়ে সোজা পথে নদীর সাথে সাথে চলতে পারতেন।
৩.২ সেই ইচ্ছা অনুযায়ী তিনি চলতে পারলেন না কেন?
উত্তর: নদী সোজা পথে না চলে নিজের ইচ্ছামতো এঁকেবেঁকে চলে। কিন্তু কবিকে পথের অনেক মানুষ (দশজনা) বাঁকা পথে চলতে নিষেধ করেছেন। তাই কবি নদীর মতো বাঁকা পথে চলতে পারলেন না।
৩.৩ নদী কীভাবে তার চলার পথে এগিয়ে চলে?
উত্তর: নদী কখনো সোজা বা সহজ পথে চলে না। সে তার চলার পথে বাধা পেলে তা এড়িয়ে গিয়ে নিজের গতিতে এঁকেবেঁকে সামনের দিকে এগিয়ে চলে।
No comments:
Post a Comment